Biography

title image

বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সুযোগ্য সৈনিক ও দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার স্নেহ-ধন্য বরেণ্য আওয়ামী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব জননেতা আলহাজ্ব মোশতাক আহমেদ রুহীর সংক্ষিপ্ত জীবনী-

শিক্ষাজীবনঃ

স্কুলজীবনে টেলেন্টপুলে বৃত্তি লাভ।

১৯৮৯ সালে ময়মনসিংহ জিলা স্কুল থেকে স্টার মার্কস পেয়ে এসএসসিতে উত্তীর্ণ।

১৯৯১ সালে আনন্দ মোহন কলেজ থেকে এইচএসসিতে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ।

১৯৯৪ সালে আনন্দ মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে অর্থনীতিতে অনার্সসহ দ্বিতীয় শ্রেণী।

১৯৯৬ সালে আনন্দ মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে দ্বিতীয় শ্রেণীতে এমএসএস ডিগ্রি অর্জন।

জাপানের বিখ্যাত সুকুবা ইউনিভার্সিটিতে লিখিত ও মৌখিক পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে PhD করার সুযোগ পান। কিন্তু  রাজনীতির মোহের কারণে দেশে ফিরে আসেন – ডক্ট্ররেট শেষ হল না।

বর্তমানে উপদেষ্টা সম্পাদক "দৈনিক খোলা কাগজ" পত্রিকা। 

রাজনৈতিক জীবনঃ  

১৯৯০ সালে ছাত্রলীগ আনন্দ মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শাখার সদস্য।

১৯৯১ সালে আনন্দ মোহন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের সর্ব্বোচ্চ ভোট পেয়ে এজিএস নির্বাচিত হন।

১৯৯২ সালে আহবায়ক চেতনা' ৭১

১৯৯৪ সালে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক।

১৯৯৫ সালে ময়মনসিংহ জেলা বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংসদের সহ-সভাপতি।

১৯৯৬ সালে রেকর্ড সংখ্যক  ভোট পেয়ে আনন্দ মোহন কলেজের ভিপি নির্বাচিত হন।

২০০৩ সালে আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন।

২০০৮ সালে ৫৫ হাজার ভোটের ব্যবধানে ১৫৭ নেত্রকোনা ১(দুর্গাপুর-কমলাকান্দা) আসন থেকে নবম জাতীয় সংসদের সম্মানিত সদস্য নির্বাচিত হয়ে সততা ও ন্যায়পরায়ণতার প্রমাণ দিয়েছেন এবং এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন কাজ করেছেন।

 

স্বৈরশাসক এরশাদ বিরোধী গণঅভ্যুত্থান :

স্বৈরাশাসক এরশাদ বিরোধী গণ-অভ্যুন্থানে অসাধারণ ভূমিকা পালন করেন- তখন তিনি ছাত্রলীগ আনন্দ মোহন কলেজ শাখার সদস্য। নেতৃত্বে সর্বদলীয় ঐক্যের সেসময়ের তুখোড় ছাত্রনেতারা। তাদের মিছেলে পুলিশ গুলিবর্ষণ করলে ছাত্রনেতা ফিরোজ ও জাহাঙ্গীর শহীদ হন।

 

ছাত্রসংসদ নিবার্চনে জয়লাভ :

১৯৯১ সাল বিএনপি সরকার ক্ষমতায়। তিনি উচ্চমাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র – ছাত্রলীগ মনোনীত প্যানেল থেকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে আমোকসুর এজিএস নির্বাচিত হন। তারপর ১৭ দিনের মাথায় তাকে হত্যা কারার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে গুলি করে ড্রেনে ফেলে রাখা হয়। ছাত্রজনতার দোয়ায় সেদিন তিনি অলৌকিকভাবে বেঁচে গেলেন। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হাজার হাজার মানুষ সেই সন্ধ্যায় দাঁড়িয়েছিল রক্ত দিতে। ১২৭ টি সেলাই লেগেছিল শরীরে। ১৯৯২ সাল-বিরোধী দলকে মোকাবেলায় সন্ত্রাস দমন অধ্যাদেশ জারী হলো- দেশে সর্বপ্রথম শিকার হলেন তিনি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মরহুম মতিন সাহেব কর্তৃক তাহাকে ধরিয়ে দেয়ার জন্য পুরষ্কার ঘোষণা হলো। ৪৩ টি মামলা দিয়েছিল বিএনপি জামাত সরকার দুইবারের ক্ষমতায়। সততা নীতি আর আদর্শের কারণে আমোকসুর ছাত্রজনতা তাঁকে ১৯৯৬ সালে রেকর্ড সংখ্যক ভোটে ভিপি নির্বাচিত করেন।

 

সামাজিক ক্রীড়া সংগঠক :

তিনি ছাত্রজীবনে ময়মনসিংহে অনেক সামাজিক সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া প্রতিষ্ঠানের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। মেধাবী ছাত্রনেতা মোশতাক আহমেদ রুহীর অনেক লেখা প্রবন্ধ ছাত্রজীবনেই “দৈনিক জনকন্ঠ” পত্রিকায় ছাপা হয়েছিল এছাড়াও ছাত্রাবস্থায় আনোয়ারা মুজিব পাবলিশিং কর্তৃক মোশতাক আহমেদ রুহীর লেখা “জনতা জীবন্মৃত” ও “প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধানে” নামক দুটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়। সম্প্রতি ২০১৭ সালে ২১শে বই মেলায় মোশতাক আহমেদ রুহীর লেখা “রাজনীতি হ য ব র ল” গ্রন্থটি তাম্রলিপি প্রকাশনা কর্তৃক প্রকাশিত হয়। সন্ধানী বিজ্ঞান  ক্লাব ও খেলাঘরের সাথে জড়িত ছিলেন।  তিনি ময়মনসিংহ প্রথম বিভাগ ফুটবল চ্যাম্পিয়ন 'ফ্রেন্ডস ইলেভেন' ক্লাবের সভাপতি।  ফুটবল, ক্রিকেট, এথলেটিক, টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতা ছাড়াও উপস্থিত বক্তৃতায় অনেক পুরস্কার পেয়েছিলেন তিনি 'এরিয়া বাংলাদেশ' নামক এনজিও এর চেয়ারম্যান 

 

পারিবারিক জীবনঃ

মোশতাক আহমেদ রুহী

মোবাইলঃ  

০১৭১১- ৬৬ ৩৪ ৯৬

জন্ম- ১৯৭৪ সালের ১৯শে জুন

পিতা- মরহুম অধ্যক্ষ প্রফেসর মুজিবর রহমান

মাতা- আনোয়ারা রহমান

স্ত্রী  - সৈয়দা মারুফা জাহান

তিন সন্তান - কন্যা জারা , পুত্র জিনান ও সাদমান

বড় বোন - ড. নাসরিন জাহান - অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী

বড় ভাই - মোশফিক আহমেদ শাহী ১৯৯১ সালে আনন্দ মোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শাখা ছাত্রলীগের ক্রীড়া সম্পাদক ছিলেন বর্তমানে সাধারণ সম্পাদক, তাতী লীগ ময়মনসিংহ মহানগর শাখা 

ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামঃ

মেসার্স রুহী এন্টারপ্রাইজ

ঠিকানাঃ হোল্ডিং নং- ০৭, ওল্ড পুলিশ ক্লাব রোড, ময়মনসিংহ।  

 

 

 

 

 

 

 

 

Facebook Followers

500000

Twitter Fallowers

1500

Google Plus Followers

2000

Linkedin Followers

2500

Latest Update

title image